মাল্যদান চলচ্চিত্র

মাল্যদান চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র
- প্রযোজনা — চিত্রলিপি ফিল্মস
- প্রযোজক – অজয় কর, বিমল দে।
- কাহিনি—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- চিত্রনাট্য — সলিল সেন।
- পরিচালনা – অজয় কর
- সংগীত পরিচালনা — হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।
- চিত্রগ্রহণ—বিশু চক্রবর্তী।
- শিল্প নির্দেশনা – সুনীতি মিত্র।
- শব্দগ্রহণ — নৃপেন পাল, বাণী দত্ত, শ্যামসুন্দর ঘোষ।
- গীতিকার — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী।
- সম্পাদনা— দুলাল দত্ত।
অভিনয় –
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, নন্দিনী মালিয়া, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, শৈলেন মুখোপাধ্যায়, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, গীতা দে, নৃপতি চট্টোপাধ্যায়, গীতালি চক্রবর্তী, বিকাশ রায়, বিজয় বসু।

নেপথ্য কণ্ঠ –
হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, রানু মুখোপাধ্যায়, গৌরী ঘোষ, মিনু সে, পদ্মরানী, শর্মিলা গঙ্গোপাধ্যায়, উমা আঙ্গুলী, শীলা ভট্টাচার্য।
কাহিনি—
সদ্য ডাক্তারি পাস করা যতীন (সৌমিত্র) তার সম্পর্কিত বোন পটলের (সাবিত্রী) বাড়িতে যায়। পটল তার স্বামী হরকুমারকে (শৈলেন) নিয়ে বালীতে গঙ্গার পাড়ে একটি বাড়িতে বাস করে। পিঠোপিঠি ভাই বোন হওয়ায় পটল যতীনকে নিয়ে ঠাট্টা তামাশায় সময় কাটায়।
যতীন প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও পটলের সাথে পেরে ওঠে না, ভাই বোনের এই খুনসুটি হরকুমার উপভোগ করেন। হরকুমারের বাড়িতে থাকে তাদের আশ্রিতা সদ্যযৌবনা কুড়ানী (নন্দিনী)। কুড়ানীর জীবনে যৌবন এলেও যুবতীসুলভ ব্যবহার এখনও তার আয়ত্তে আসে নি, সে নিষ্পাপ দৃষ্টিতে সব কিছুই বুঝতে চেষ্টা করে, এমনকী তাকে কেন্দ্র করে যতীনের প্রতি পটলের ইঙ্গিত সে বুঝতে পারে না।
বিহারে থাকাকালীন প্লেগে কুড়ানীর বাবা-মায়ের মৃত্যু হয় এবং অসুস্থ কুড়ানী হরকুমারের বাড়িতে আশ্রয় পায়। নিঃসন্তান হরকুমার ও পটল তাকে আপন করে নেন। এক সময় কুড়ানীকে কেন্দ্র করে পটলের রসিকতা যতীনের অসহ্য বোধ হয় এবং যতীন বাড়ী থেকে চলে যায়। হঠাৎই কুড়ানী সব বুঝতে পারে এবং অভিমানে নিশ্চিন্ত আশ্রয় ত্যাগ করে, তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না।
পরে যতীন একটি হাসপাতালে অসুস্থ কুড়ানীর সাক্ষাৎ পায় এবং বুঝতে পারে কুড়ানীকে সে ভুলবার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়েছে। পটলের উদ্যোগে শেষশয্যায় কুড়ানীর সাথে যতীনের বিয়ে হয়।
বক্স অফিসের যথেষ্ট আনুকুল্য না পেলেও ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে। এবং ভারতের রাষ্ট্রপতির পুরস্কার ‘সার্টিফিকেট অফ মেরিট’ লাভ করে।
