মান্না লাডিয়া

মান্না লাডিয়া, কোনো দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ইতিহাস সেই দেশের বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।

চল্লিশের দশকের শেষার্ধে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের প্রভাব, ১৯৪৭ সালে ক্যালকাটা ফিল্ম সোসাইটির পত্তন, ১৯৪৮ সালে দ রিভার ছবির শুটিং উপলক্ষে ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক জাঁ রেনোয়ার কলকাতা আসা এবং সর্বোপরি ১৯৫২ সালের প্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ইত্যাদির প্রভাব বাংলা চলচ্চিত্রের সার্বিক উত্থানের ক্ষেত্রে একটা গতি এনে দিয়েছিল।

সত্তরের দশকের মধ্যবর্তী সময় থেকে বাংলা চলচ্চিত্রে একদল নতুন পরিচালকের আবির্ভাবে বাংলা চলচ্চিত্র আবারও সমৃদ্ধ হল। এদের প্রায় সকলেই সক্রিয় ভাবে না হলেও ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং এদের মধ্যে কারো কারো তথ্যচিত্র বা স্বল্পদৈর্ঘ্য চিত্র তৈরি করার অভিজ্ঞতা ছিল।

আশির দশকের মধ্যবর্তী সময় থেকে বাংলা বাণিজ্যিক ছবিতে কাহিনি নির্বাচন থেকে শুরু করে ছবির নাম নির্বাচন, সংলাপ, গান, কাহিনি বিন্যাস, অভিনয় ইত্যাদি প্রায় সবক্ষেত্রেই একটা অদ্ভুত পরিবর্তন এসেছে। এগুলিকে ছবি বলা হবে, না যাত্রার সেলুলয়েড ভার্সান বলা হবে তা নিয়ে চলচ্চিত্র বোদ্ধারা বিতর্ক সভা আয়োজনের কথা ভাবতে পারেন।

 

মান্না লাডিয়া । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

মান্না লাডিয়া 

 

মান্না লাডিয়া, জন্ম কলকাতায়। কর্মজীবনের শুরুতে শ্রীভারতলক্ষ্মী পিকচার্সে সহকারী শব্দযন্ত্রী ছিলেন। স্বাধীন শব্দযন্ত্রী হিসাবে প্রথম ছবি ন্যাশনাল প্রোগ্রেসিভ পিকচার্স প্রযোজিত এবং হেমেন গুপ্ত পরিচালিত ভুলি নাই (১৯৪৮) ছবিতে। পশুপতি চট্টোপাধ্যায়, হিরন্ময় সেন, মানু সেন ছাড়াও আরও বহু পরিচালকের সাথে কাজ করেছেন।

 

মান্না লাডিয়া । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

চলচ্চিত্রপঞ্জি —
  • ১৯৩৯ পরশমণি (চার্লস ক্রীডের সাথে যুগ্মভাবে)
  • ১৯৪০ ঠিকাদার (চার্লস ফ্রীডের সাথে যুগ্মভাবে):
  • ১৯৪১ বিজয়িনী (চার্লস ক্রীডের সাথে যুগ্মভাবে), নন্দিনী;
  • ১৯৪২ অভিসার
  • ১৯৪৩ জজ সাহেবের নাতনী।
  • ১৯৪৪ মাটির ঘর, প্রতিকার, সমাজ,
  • ১৯৪৮ অরক্ষণীয়া, ভুলি নাই, প্রিয়তমা
  • ১৯৫০ বৈকুণ্ঠের উইল, ইন্দ্রজাল, যুগদেবতা, রক্তের টান;
  • ১৯৫১ বিয়াল্লিশ, গাঁয়ের মেয়ে, রাজমোহনের বৌ, কুলহারা:
  • ১৯৫৩ বাস্তব, চিরন্তনী।

Leave a Comment