বাসু চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকার। যদিও তিনি ১৯৭০ এবং ১৯৮০ সালের দিকে মধ্যম সিনেমা বা মধ্যম রাস্তা সিনেমাতে হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় এবং বাসু ভট্টাচার্য-এর সহকারী হিসাবে চিত্রনির্মাণ করেন। তাদের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ছিল তিসরি কসম (১৯৬৬)। তিনি মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রেম ভালোবাসা নিয়ে সিনেমা বানান।

বাসু চট্টোপাধ্যায় । বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক
বাসু চ্যাটার্জী ১৯৩০ সালে ভারতের রাজস্থান প্রদেশের অজমের শহরে জন্মগ্রহণ করেন। বাসু চ্যাটার্জী মুম্বাই থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ট্যাবলয়েড Blitz-এ অঙ্কনশিল্পী এবং কার্টুনিস্ট হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।প্রথাগত শিক্ষা শেষে বোম্বেতে দীর্ঘ দিন রিজ পত্রিকার কার্টুনিস্ট হিসাবে কাজের সাথে ফিল্ম সোসাইটি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ফিল্ম ফোরাম সোসাইটির (১৯৫৯) প্রতিষ্ঠাতা বাসুবাবু ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটিজ অফ ইন্ডিয়ার পশ্চিম অঞ্চলের সক্রিয় সদস্য হিসাবে সোসাইটির মুখপত্র ‘ক্লোজ আপ পত্রিকা সম্পাদনার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
চলচ্চিত্র পরিচালনা শুরুর আগে রাজ কাপুর ও ওয়াহিদা রহমান অভিনীত তিসরি কসম চলচ্চিত্রে তিনি বাসু ভট্টাচার্য-এর সহকারী হিসাবে কাজ করেন। চলচ্চিত্রটি ১৯৬৬ সালে জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। বাসু চ্যাটার্জ্জীর প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র সারা আকাশ (১৯৬৯)। এই ছবিটির জন্য ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন।

বাসু ভট্টাচার্য পরিচালিত হিন্দী ছবি ভিসরী কসন (১৯৬৬) ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসাবে যুক্ত হন। পরিচালক হিসাবে প্রথম ছবি সারা আকাশ (হিন্দী, ১৯৭১)। পরবর্তী কালে স্বল্প ব্যয়ের চলচ্চিত্র নির্মাণে নিজের দক্ষতার প্রমাণ রেখেছেন। বক্স অফিস সফল হিন্দী ছবিগুলির মধ্যে রজনীগন্ধা (১৯৭৪), ছোটি সি বাত (১৯৭৫), চিৎ চোর (১৯৭৬), মনজিল (১৯৭৯), পসন্দ আপনি আপনি (১৯৮৩) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
হিন্দী ছবির সাথে চারটি বাংলা ছবিও পরিচালনা করেছেন। হিন্দী ও বাংলা ছবি পরিচালনার পাশাপাশি দূরদর্শনে কাজও করেছেন।
চলচ্চিত্রপঞ্জি (বাংলা)
- হঠাৎ বৃষ্টি (১৯৯৮),
- চুপি চুপি (২০০১),
- মেয়েটি বড় মিষ্টি (২০০১),
- হচ্ছেটা কি (২০০৮)।
