সবার উপরে চলচ্চিত্র

সবার উপরে চলচ্চিত্র ১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত উত্তম কুমার এবং সুচিত্রা সেন অভিনীত একটি জনপ্রিয় বাংলা চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটির পরিচালক অগ্রদূত গোষ্ঠী।

 

সবার উপরে চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

সবার উপরে চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

  • প্রযোজনা — এম.পি. প্রোডাকসন।
  • কাহিনি ও সংলাপ — নিতাই ভট্টাচার্য।
  • চিত্রনাট্য ও পরিচালনা — অগ্রদূত।
  • সংগীত পরিচালনা — রবীন চট্টোপাধ্যায়।
  • গীতিকার — গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার।
  • চিত্রগ্রহণ – বিভূতি লাহা, বিজয় ঘোষ।
  • শিল্প নির্দেশনা সত্যেন রায়চৌধুরী।
  • শব্দগ্রহণ —— যতীন দত্ত।
  • সম্পাদনা – সন্তোষ গঙ্গোপাধ্যায়।

 

অভিনয় –

সুচিত্রা সেন, উত্তমকুমার, – ছবি বিশ্বাস, কমল মিত্র, পাহাড়ী সান্যাল, নীতীশ মুখোপাধায়, কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, তুলসী চক্রবর্তী, শোভা সেন, তপতী ঘোষ, জয়শ্রী সেন, ঝর্ণা রায়, বীথি দাশগুপ্তা, চিত্রিতা মণ্ডল, হরেন মুখোপাধ্যায়, প্রীতি মজুমদার, পুরু মল্লিক, আদিত্য ঘোষ, শেখর চট্টোপাধ্যায়, পারিজাত বসু ৷

 

সবার উপরে চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

নেপথ্য সংগীত —

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়।

 

কাহিনি—

হেমাঙ্গিনী হত্যার অপরাধে বেঙ্গল ইনসুয়রেন্স কোম্পানির ইনস্পেকটার প্রশান্ত চ্যাটার্জী (ছবি) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। প্রশান্তর স্ত্রী মহামায়া (শোভা) অত্যন্ত অভাবের মধ্যে পুত্র শঙ্করকে (উত্তম) বড় করে তোলেন।

১২ বছর পর শঙ্কর উকিল হয়ে মায়ের কাছ থেকে সব জানতে পেরে হত্যার স্থান কৃষ্ণনগরে যায় এবং সেখানকার একটি স্কুলের শিক্ষিকা রীতার (সুচিত্রা) সাহায্যে এবং ঐ কেসের তদন্তে নিযুক্ত ইনস্পেকটারের (কালী) সহযোগিতায় হত্যার উদ্দেশ্য জানতে পারে। তার সাথে দেখা হয় হেমাঙ্গিনীর সম্পর্কিত ভাই সহদেব দত্তর (কমল), ঐ কেসের সাক্ষী বীণা রায়, তারাপদ সরকার, হরিপদ কম্পাউন্ডার ইত্যাদির সাথে।

 

সবার উপরে চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

তদন্ত করে শঙ্কর বুঝতে পারে হেমাঙ্গিনীর আসল খুনি হল ঐ কেসের সরকারি আইনজীবী সুরেন দাস (নীতীশ)। সুরেনের সাথে হেমাঙ্গিনীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল, ফলে বিধবা হেমাঙ্গিনী গর্ভবর্তী হয়ে পড়ে। সুরেন সহদেবের সহযোগিতায় হেমাঙ্গিনীকে খুন করে এবং উৎকোচের মাধ্যমে বীণা ও হরিপদকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে প্রলোভিত করে কোর্টে প্রশান্তকে দোষী সাব্যস্ত করে।

শঙ্করের লাগাতার প্রচেষ্টায় ১২ বছর পর আবার হেমাঙ্গিনীর মৃত্যুর বিচার শুরু হয়। শঙ্কর রীতার সম্পর্কিত দানার (পাহাড়ী) সহযোগিতায় কোর্টে প্রশান্তকে নির্দোষ প্রমাণ করে এবং সুরেন দাসকে দোষী প্রমাণিত করে। মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার জন্য সহদেব ও বীণার জেল হয়। শঙ্কর, রীতা, মহামায়া ও প্রশান্তর পারিবারিক মিলনে ছবি শেষ হয়।

ছবিটি তৎকালীন সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছিল।

Leave a Comment