শুভদৃষ্টি চলচ্চিত্র

শুভদৃষ্টি চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র
- প্রযোজনা – এস. সি. প্রোডাকসন্স।
- প্রযোজক – সুকুমার কুমার।
- কাহিনি — ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়।
- চিত্রনাট্য মণি বর্মা।
- পরিচালনা -চিত্ত বসু।
- সংগীত পরিচালনা — মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় ৷
- চিত্রগ্রহণ— অনিল গুপ্ত, জ্যোতি লাহা।
- শব্দগ্রহণ — বাণী দত্ত, সত্যেন চট্টোপাধ্যায়।
- শিল্প নির্দেশনা—সুধীর খান, বিজয় বসু।
- সম্পাদনা— রমেশ যোশী।
- গীতিকার—শ্যামল গুপ্ত।
অভিনয়—
সন্ধ্যা রায়, অরুণ মুখোপাধ্যায়, সন্ধ্যারাণী, কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, ছবি বিশ্বাস, গীতা দে, জহর গঙ্গোপাধ্যায়, অনুপকুমার, দীপিকা দাস।

নেপথ্য সংগীত
সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়।
কাহিনি
বন্দ্যোপাধ্যায় (ছবি) বর্তমানে কলকাতায় বাস করলেও তাঁর জন্ম ময়ূরাক্ষী নদীর পাড়ে দেবগ্রামে। দীর্ঘ আট বছর বাদে দেবগ্রামে গিয়ে তিনি তাঁর মৃত বন্ধু নীলরতনের একমাত্র মেয়ে মলিনার (সন্ধ্যা) সাক্ষাৎ পান এবং ভাগ্নে সীতাংশুর (অরুণ) সাথে তার বিয়ে দিতে চান। নীলরতনের মা ক্ষেমঙ্করী দেবী হরিহরের এই প্রচেষ্টায় হাতে স্বর্গ পান। বড়লোকের একমাত্র পুত্র পেশায় ইঞ্জিনিয়ার সীতাংশুর মতো পাত্রের সাথে তাঁর একমাত্র নাতনির বিয়ের কথা তিনি স্বপ্নেও ভাবেন নি।
বিয়ের দিন সকাল থেকেই বৃষ্টি, তার মধ্যেই মলিনা ও সীতাংশুর বিয়ে হয়। বর কনে যখন বাসরে, বন্যার খবর পাওয়া যায়। সীতাংশু তখন ঘুমিয়ে পড়েছিল। মলিনার ডাকে সে উঠে বসে এবং বন্যার খবর পায়, স্বামী-স্ত্রী বন্যার কবলে পড়ে ভেসে যায়। উদ্ধারকারীরা সীতাংশুকে গাছের উপর থেকে উদ্ধার করে।
অন্যদিকে মলিনাকে উদ্ধার করে পানু জেলে (কালী) ও তার ভাইপো দুলাল (অনুপ)। শেষ পর্যন্ত মলিনা পানুর সাহায্যে শ্বশুরবাড়ি পৌঁছতে সক্ষম হয়, কিন্তু সীতাংশুর মা অমলা (সন্ধ্যারাণী) তাকে পুত্রবধূ হিসাবে চিনতে পারেন না এবং বাড়িতে আশ্রয় নিতে অস্বীকার করেন। শেষ পর্যন্ত সীতাংশু মলিনাকে স্ত্রী হিসাবে চিনতে পারে। তাদের প্রকৃত শুভদৃষ্টি হয় এবার।
