হংসমিথুন চলচ্চিত্রটি গীতছন্দম পিকচার্স এর প্রযোজনায়, পার্থপ্রতিম চৌধুরীর কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত একটি বাংলা চলচ্চিত্র।

হংসমিথুন চলচ্চিত্র
- প্রযোজনা — গীতছন্দম পিকচার্স।
- প্রযোজক – সনাতন মুখোপাধ্যায়।
- কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা – পার্থপ্রতিম চৌধুরী।
- সংগীত পরিচালনা – হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।
- চিত্রগ্রহণ – রামানন্দ সেনগুপ্ত।
- শিল্প নির্দেশনা – সত্যেন রায়চৌধুরী।
- সম্পাদনা অর্ধেন্দু চট্টোপাধ্যায়।
- গীতিকার- পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিনয় –
অপর্ণা সেন, শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়, বিকাশ রায়, প্রসাদ মুখোপাধ্যায়, কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, সবিতা বসু, রুমা গুহঠাকুরতা, রবি ঘোষ, জহর গঙ্গোপাধ্যায়, অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়।

নেপথ্য কণ্ঠ—
হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, সনৎ সিংহ।
কাহিনি—
ব্যারিস্টার সঞ্জয় চৌধুরী (বিকাশ) এবং উকিল প্রমথ মল্লিক (প্রসাদ) কোর্টে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। তাদের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা কোর্টের বাইরেও প্রসারিত হয়েছে, একজন অন্যের নাম শুনলেই খেপে ওঠেন।

প্রমথ উকিলের ছোটছেলে দিব্যেন্দু (শুভেন্দু) পড়াশোনায় ভালো, স্কটিশচার্চ কলেজের ছাত্রসংসদের সম্পাদক। সঞ্জয় ব্যারিস্টারের একমাত্র মেয়ে শ্রী (অপর্ণা) ঐ কলেজের কলা বিভাগে ভর্তি হয়। দিব্যেন্দু স্ত্রীর পিতৃপরিচয় না জেনেই প্রথম থেকেই শ্রীকে নানাভাবে অপদস্থ করার চেষ্টা করে। দুঃখিত ও অপমানিত শ্রী কলেজ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
দিব্যেন্দু শ্রীর কাছে ক্ষমা চায় এবং তাকে তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে অনুরোধ করে। দুজনের দেখাশোনা প্রেমে পরিণত হয়। দিব্যেন্দুর দাদা নব্যেন্দু (কালী) এবং বৌদি (সবিতা) আসরে অবতীর্ণ হন। নব্যেন্দু পেশায় ডাক্তার। চিকিৎসক হিসাবে পিতার পরিচয় গোপন রেখেই তিনি সঞ্জয় ব্যারিস্টারের চিকিৎসা শুরু করেন।
শ্রীর সম্পর্কিত দিদি সোমা (রুমা) এবং ঠাকুরদা (জহর) সকলেই শ্রী এবং নিব্যেন্দুর সম্পর্কটিকে স্থায়ী রূপ দিতে চায়। সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় মধুরেণ সমাপয়েৎ। যদিও বিবাহ বাসরেও প্রমথ উকিল এবং সময় ব্যারিস্টারের পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা অক্ষুণ্ণ ছিল।
ছবিটি সমালোচকদের সাথে সাথে দর্শকদেরও প্রশংসা অর্জন করেছিল।
