সুরেশচন্দ্র চন্দ

সুরেশচন্দ্র চন্দঃ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাস শতাধিক বর্ষের ইতিহাস আর বাংলা কাহিনিচিত্রের প্রায় একশত বৎসরের ইতিবৃত্ত। ১৮৯৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিস শহরে প্রথম চলচ্চিত্র প্রদর্শন করেন লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়। এর কয়েক মাসের মধ্যেই ১৮৯৬ সালে ৭ জুলাই বোম্বে-র ওয়াটসন হোটেলে লুমিয়েরদের প্রতিনিধিদের প্রদর্শিত চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে ভারতবর্ষে চলচ্চিত্র শিল্পের যাত্রা শুরু হয়।

 

সুরেশচন্দ্র চন্দ

সুরেশচন্দ্র চন্দ

জন্ম ভাগলপুরে, প্রথাগত শিক্ষা অসম্পূর্ণ রেখেই কলকাতায় চলে আসেন, ক্যালকাটা মুভিটোন স্টুডিওতে বংশী চন্দ্রগুপ্তর সহকারী হিসাবে কাজ শুরু করেন। স্বাধীন ভাবে প্রথম কাজ মৃণাল সেন পরিচালিত একদিন প্রতিদিন (১৯৮০) ছবিতে।

 

সুরেশচন্দ্র চন্দ

 

তরুণ মজুমদার পরিচালিত বারোটি ছবির শিল্প নির্দেশনার পাশাপাশি উৎপলেন্দু চক্রবর্তী, বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, রাজেন তরফদার, ইন্দর সেন, যাত্রিক প্রভৃতি পরিচালকদের সাথে কাজ করেছেন। স্বপন সাহা পরিচালিত সাতাশটি ছবির শিল্প নির্দেশনাও দিয়েছেন।

চলচ্চিত্রপঞ্জি —
  • ১৯৮০ একদিন প্রতিদিন;
  • ১৯৮১ সৎ মা শহর থেকে দূরে:
  • ১৯৮২ খেলার পুতুল, মেঘমুক্তি:
  • ১৯৮৩ চোখ:
  • ১৯৮৪ অমরগীতি, গৃহযুদ্ধ:
  • ১৯৮৫ ভালবাসা ভালবাসা:
  • ১৯৮৬ অনুরাধা, পথভোলা,
  • ১৯৮৭ অর্পণ, বন্দুকবাজ, নাগপাশ, আগমন:
  • ১৯৮৮ পরশমণি:
  • ১৯৮৯ অঙ্গার, জজ সাহেব, মর্যাদা,
  • ১৯৯০ আপন আমার আপন, ঘরের বৌ, মানদণ্ড, মনময়ূরী,
  • ১৯৯১ পথ ও প্রাসাদ, সজনী গো সজনী, ঠিকানা:
  • ১৯৯২ বেদেনীর প্রেম:
  • ১৯৯৩ মান সম্মান, সম্পর্ক:
  • ১৯৯৪ বিশ্বাস অবিশ্বাস, দাঙ্গা, কথা ছিল, শেষ চিঠি;
  • ১৯৯৫ আবির্ভাব, কাকাবাবু হেরে গেলেন, মশাল, সুজন সখী, সুখের আশা
  • ১৯৯৬ ঝিনুকমালা, সখী তুমি কার,
  • ১৯৯৭ আদরের বোন; বকুলপ্রিয়া, মাটির মানুষ, মায়ার বন্ধন, নিষ্পাপ আসামী, পিতা মাতা সন্তান, সবার উপরে মা, সমাধান, তোমাকে চাই,
  • ১৯৯৮ মায়ের দিব্যি, নাগ নাগিনী, নয়নের আলো, স্বামীর আদেশ;
  • ১৯৯৯ সন্তান যখন শত্রু, কাঞ্চনমালা, মধুমালতী, মস্তান রাজা, শত্রুমিত্র, মানুষ কেন বেইমান, সত্যম শিবম সুন্দরম, স্বামীর ঘর:
  • ২০০০ গরীবের সন্তান, ধর্ম অধর্ম, সাত ভাই, ভালবাসি তোমাকে, এই ঘর এই সংসার:
  • ২০০১ গুরুশিষ্য :
  • ২০০৩ সুখ দুঃখের সংসার, আলো।

Leave a Comment