সুভা ও দেবতার গ্রাস চলচ্চিত্র

সুভা ও দেবতার গ্রাস চলচ্চিত্রটি সাজ ও আওয়াজ সিনে এন্টারপ্রাইজ প্রযোজিত, পার্থপ্রতিম চৌধুরীর চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত একটি চলচ্চিত।

 

সুভা ও দেবতার গ্রাস চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

সুভা ও দেবতার গ্রাস চলচ্চিত্র

  • প্রযোজক — সাজ ও আওয়াজ সিনে এন্টারপ্রাইজ।
  • কাহিনি ও গীতরচনা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
  • চিত্রনাট্য ও পরিচালনা – পার্থপ্রতিম চৌধুরী।
  • প্রযোজনা ও সংগীত পরিচালনা – জি. বালসারা, অতিরিক্ত
  • গীতরচনা — মুকুন্দরাম দাস।
  • চিত্রগ্রহণ – দীনেন গুপ্ত।
  • শিল্প নির্দেশনা- কার্তিক বসু ও সুরেশ চন্দ।
  • শব্দগ্রহণ – বাণী দত্ত, শ্যামসুন্দর ঘোষ।
  • সম্পাদনা – তরুণ দত্ত।

 

সুভা—

অভিনয়

শর্মিলা ঠাকুর, কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুভা গুপ্তা, লিলি চক্রবর্তী, গীতা দে, সতীন্দ্র ভট্টাচার্য, নিভাননী দেবী, বঙ্কিম ঘোষ, অবনী ভট্টাচার্য, ভোলা দত্ত, কবি মিত্র, শ্রীমান অপরেশ, সূর্য চট্টোপাধ্যায়।

 

নেপথ্য সংগীত —

সবিতারত দত্ত, রুমা দাস।

 

সুভা ও দেবতার গ্রাস চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

কাহিনি—

গ্রামের মূক ও বধির মেয়ে সুভা (শর্মিলা)। সুভা মনে মনে ভালোবেসেছিল তাদের গ্রামের ছেলে প্রতাপকে, প্রতাপও হয়তো সুভাকে ভালোবেসেছিল। সুভার বাবা অন্যত্র মেয়ের বিয়ে দেন, ফুলশয্যার রাত্রে সুভার স্বামী জানতে পারে যে সুভা কথা বলতে পারে না। সুভার স্বামী আবার অন্য মেয়েকে বিয়ে করে। সুভা গ্রামে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। এই ছবিতে মূক ও বধির মেয়ে সুভার ভূমিকায় শর্মিলার অভিনয় সমালোচকদের সাথে দর্শকদেরও প্রশংসা লাভ করে।

 

দেবতার গ্রাস –

অভিনয়

বিকাশ রায়, রুমা গুহঠাকুরতা, শ্রীমান সৌমিত্র, চিত্রা মণ্ডল, রবি ঘোষ, দুলাল ঘোষ, দুর্গাদাস ব্যানার্জী, শ্রীমান কিশোর, হৃষিকেশ চট্টোপাধ্যায়, সরোজিনী দাসী, লাবণ্য ঘোষ, রাধাগোবিন্দ দাস, গদাধর সেন, মৃণাল মজুমদার।

কণ্ঠসংগীত ——

রুমা গুহঠাকুরতা, সরোজিনী দাসী।

 

সুভা ও দেবতার গ্রাস চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

কাহিনি—

মৈত্র মশায় (বিকাশ) সাগর সঙ্গমে পুণ্য সঞ্চয় করার জন্য স্নান করতে যাবেন। বিধবা মোক্ষদার (রুমার) ইচ্ছে মৈত্র মশায়ের সাথে গিয়ে পুণ্যস্নান সেরে আসে। মোক্ষদার ইচ্ছে ছিল তার বোনের (চিত্রা) কাছে ছেলে রাখালকে (শ্রীমান সৌমিত্র) রেখে সে গঙ্গাসাগর যাবে। নাছোড়বান্দা রাখাল মায়ের সাথে যেতে চায়। মোক্ষদা রাগ করে রাখালকে বলে ‘চল তোরে দিয়ে আসি সাগরের জলে। মোক্ষদা, রাখাল সহ মৈত্র মশায়ের নৌকা গঙ্গাসাগর যাত্রা করে।

গঙ্গাসাগর থেকে ফেরার পথে তাদের নৌকো ঝড়ের মুখে পড়ে। নৌকোর ভীত সংস্কারাচ্ছন্ন যাত্রীরা মোক্ষদাকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে সে তার সন্তানকে সাগরের জলে দিয়ে আসার মানত করেছে, মৈত্র মশায়ও প্রথমে তাদের কথায় সায় দেন। ভীত যাত্রীরা রাখালকে তার মায়ের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে জলে ফেলে দেয়। রাখালের আর্ত কন্ঠস্বরে মৈত্র মশায়ের শুভবুদ্ধি ফিরে আসে, তিনি রাখালকে বাঁচাবার জন্য জলে ঝাঁপ দেন।

Leave a Comment