সরীসৃপ চলচ্চিত্র

সরীসৃপ চলচ্চিত্রটি বিজয় দাস ও পিয়ালী চক্রবর্তীর প্রযোজনায়. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাহিনিতে নব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় এর চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত একটি বাংলা ছায়াছবি।

 

সরীসৃপ চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

সরীসৃপ চলচ্চিত্র

  • প্রযোজনা — বিজয় দাস, পিয়ালী চক্রবর্তী।
  • কাহিনি—মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • চিত্রনাট্য ও পরিচালনা—নব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায়।
  • চিত্রগ্রহণশক্তি বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • শিল্প নির্দেশনা – আবীর মুন্সী
  • সংগীত পরিচালনা – নিখিল চট্টোপাধ্যায়।
  • সম্পাদনা – নিমাই রায়।
অভিনয় –

ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, পিয়ালী চক্রবর্তী, সুমিতা মুখোপাধ্যায়, স্বরূপ গঙ্গোপাধ্যায়।

 

সরীসৃপ চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

কাহিনি—

বনমালীকে (ধৃতিমান) নিয়ে আসা হয়েছিল চারুর (পিয়ালী) উপর নজর রাখার জন্য। অল্পবয়সি চারুর বিয়ে হয় অসুস্থ একটি লোকের সাথে। শ্বশুরবাড়িতে স্বামী এবং সন্দেহ- পরায়ণ শ্বশুর ছাড়া আর কেউ ছিল না। চারুর শ্বশুরের অভিমত মেয়েদের কোনো কারণেই বিশ্বাস করা যায় না, তাই বনমালীকে লাগিয়ে রাখা হয় চারুর উপর নজরদারি চালানোর জন্য। বনমালী মনে মনে চারুকে কামনা করত তাই সে নজরদারির বিষয়ে কিছুটা শিথিলতা দেখালেও চারু তার কাছ থেকে কোনো রকম সুবিধা নিতে অস্বীকার করে।

চারুর স্বামী এবং শ্বশুর মারা যায়, একটি বিকলাঙ্গ সন্তান নিয়ে চারু জীবন যাপন করে। চারু তার বোন পরীর (সুমিত্রা) বিয়ের জন্য বনমালীর কাছে টাকা ধার করে এবং বসতবাড়ি তার কাছে বন্ধক রাখতে বাধ্য হয়। চারু তার বাড়ির একটা অংশ ভাড়া দিতে চাইলে বনমালী তাতে বাধা দেয়।

 

কিছুদিনের মধ্যেই একটা সন্তান সহ পরী বিধবা হয় এবং চারুর কাছে চলে আসে, সে বুঝতে পারে এই বাড়ির আসল কর্তা বনমালী তাই বনমালীর সাথে একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টায় থাকে। চারু বুঝতে পেরে প্রসাদের সাথে বিষ মিশিয়ে পরীকে খুন করার পরিকল্পনা করে ভুলক্রমে বিষযুক্ত প্রসাদ খেয়ে নিজে মারা যায়।

পরী জানত বনমালী মনে মনে চারুকে ভালোবাসে এবং চারুর সন্তানের জন্য বনমালীর মনে একটা আবেগের স্থান আছে, তাই সে চারুর ছেলেকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে। বনমালী বিপদের গন্ধ পায় এবং পরীকে মূল বাড়ি থেকে সরিয়ে নিয়ে অনুরবর্তী চাকরদের থাকার জায়গায় পাঠিয়ে দেয়।

ছবিটি ১৯৮৭ সালে ইন্ডিয়ান প্যানোরামায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।

Leave a Comment