সমাধান চলচ্চিত্র (১৯৪৩)

সমাধান চলচ্চিত্রটি প্রেমেন্দ্র মিত্রর পরিচালক হিসেবে প্রথম ছবি। ছবিটি পরিচালনার পাশাপাশি কাহিনি ও চিত্রনাট্য তারই করা। ছবিটি প্রযোজনা করেচিল এস.ডি. প্রোডাকসন্স।

 

সমাধান চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

সমাধান চলচ্চিত্র 

 

 

  • প্রযোজনা – এস.ডি. প্রোডাকসন্স।
  • কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা —– প্রেমেন্দ্র মিত্র।
  • সংগীত পরিচালনা — রবীন চট্টোপাধ্যায়।
  • চিত্রগ্রহণ – অজয় কর ।
  • শব্দগ্রহণ — গৌর দাস।
  • শিল্প নির্দেশনা—সত্যেন রায়চৌধুরী।
  • সম্পাদনা – সন্তোষ গঙ্গোপাধ্যায়।
  • কণ্ঠ সংগীত—রবীন মজুমদার।
অভিনয় —

ছবি বিশ্বাস, রবীন মজুমদার, ধীরাজ ভট্টাচার্য, ইন্দু মুখোপাধ্যায়, রবি রায়, জীবেন বসু, কৃষ্ণধন মুখোপাধ্যায়, বোকেন চট্টোপাধ্যায়, বেচু সিংহ, কুমার মিত্র, কালী সরকার, মায়া বসু, রেবা দেবী, ফিরোজাবালা, তারা ভাদুড়ী, কৃষ্ণা দেবী, বেলারাণী, রাজলক্ষ্মী দেবী।

 

সমাধান চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র

 

কাহিনি—

অভাবের তাড়নায় রত্নেশ্বর স্ত্রী সুনয়নী ও শিশুপুত্র প্রদীপকে এক আত্মীয়ের বাড়ি রেখে বার্মায় যান রোজগার করার জন্য। আট বছর বার্মায় থেকে প্রভূত অর্থের মালিক হন। ফেরার পথে রত্নেশ্বর জাহাজে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মৃত্যুর পূর্বে বন্ধু ভবতোষকে তাঁর সঞ্চিত অর্থ স্ত্রী ও পুত্রের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানান। ভাবতোষ (ছবি) বন্ধুর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলেও বন্ধুর স্ত্রী পুত্রের খোঁজ নেওয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগী হন নি, বরং ঐ অর্থ দিয়ে নিজে একটি ব্যবসা গড়ে তোলেন।

ইতিমধ্যে ১৯ বছর পেরিয়ে গিয়েছে, ভবতোষ বর্তমানে বিশাল শিল্পসাম্রাজ্যের অধীশ্বর। রত্নেশ্বরের ছেলে প্রদীপ (রবীন) ভবতোষের কারখানায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রির কাজ করে, তার ব্যবহারে শ্রমিকেরা সকলেই তাকে ভালোবাসে। ভবতোষের বিলেত ফেরত পুত্র লোকেশ (ধীরাজ) বর্তমানে কারখানার ম্যানেজার, কন্যা মিনতি (সন্ধ্যারাণী) ঘটনাক্রমে প্রদীপের সাথে পরিচিত হয় এবং সে প্রদীপের আসল পরিচয় জানতে পারে।

অন্যদিকে লোকেশ প্রদীপের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় অসন্তুষ্ট, নানাভাবে প্রদীপকে বিপদের মধ্যে ফেলার চেষ্টা করে। মিনতি বাবার কাছে প্রদীপের আসল পরিচয় জানায়, ভবতোষ রত্নেশ্বরের কাছে নিজের প্রতিশ্রুতি স্মরণ করে কন্যা মিনতির সাথে প্রদীপের বিয়ের ব্যবস্থা করেন এবং তাকে অর্ধেক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেন।

Leave a Comment