শর্মিলা ঠাকুর । বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী

শর্মিলা ঠাকুর একজন বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী। তার প্রথম সিনেমা সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় অপুর সংসার। তিনি ১৯৭০-এর দশকের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক গ্রহীতা অভিনেত্রীদের একজন। তিনি দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

 

শর্মিলা ঠাকুর । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

শর্মিলা ঠাকুর । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

জন্ম কানপুরে। সিনিয়ার কেমব্রিজ পাস করে কলেজে ভর্তি হলেও অভিনয়ের আকর্ষণে প্রথাগত শিক্ষায় যেন ঘটে। অভিনেত্রী হিসাবে প্রথম কাজ সত্যজিৎ রায় পরিচালিত অপুর সংসার (১৯৫৯) ছবিতে নায়িকা অপর্ণার ভূমিকায়।

 

শর্মিলা ঠাকুর । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

সমগ্র চলচ্চিত্র জীবনে প্রায় তিরিশটি বাংলা ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি বহু হিন্দী ছবিতে নায়িকার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। সত্যজিৎ রায় ছাড়াও কাজ করেছেন তপন সিংহ, পার্থপ্রতিম চৌধুরী, অভয় কর, শক্তি সামন্ত, প্রভাত রায়, গৌতম ঘোষ, ঋতুপর্ণ ঘোষ প্রভৃতি পরিচালকের সাথে।

অভিনীত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র দয়াময়ী (দেবী, ১৯৬০), রেণু (নির্জন সৈকতে, ১৯৬৩), ঘেঁটু (ছায়াসূর্য, ১৯৬৩), অলকা (বর্ণালী, ১৯৬৩), সুভা (সুভা ও দেবতার গ্রাস, ১৯৬৪); অদিতি (নায়ক, ১৯৬৬), অপর্ণা (অরণ্যের দিনরাত্রি, ১৯৭০, আবার অরণ্যে, ২০০৩); পদ্মিনী (শুভ মহরৎ, ২০০২) ইত্যাদি।

 

শর্মিলা ঠাকুর । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

আবার অরণ্যে ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে বছরের সেরা সহ অভিনেত্রীর জাতীয় সম্মান লাভ করেন, যদিও এর আগেই গুলজার পরিচালিত হিন্দী ছবি মৌসম (১৯৭৫)-এ অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় সম্মান লাভ করেছিলেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য শর্মিলার পুত্র সাইফ এবং কন্যা সোহাও অভিনয়ের সাথে যুক্ত। বিখ্যাত ক্রিকেটার মনসুর আলী খান পতৌদির সাথে তাঁর বিয়ে হয়েছিল।

 

চলচ্চিত্র পঞ্জি —
  • ১৯৫৯ অপুর সংসার
  • ১৯৬০ দেবী:
  • ১৯৬৩ শেষ অঙ্ক, নির্জন সৈকতে, ছায়াসূর্য, বর্ণালী, শেষ প্রহর;
  • ১৯৬৪ কিনু গোয়ালার গলি, প্রভাতের রঙ, সুভা ও দেবতার গ্রাস
  • ১৯৬৬ নায়ক;
  • ১৯৭০ অরণ্যের দিনরাত্রি
  • ১৯৭১ সীমাবন্ধ:
  • ১৯৭৪ অমানুষ, যদুবংশ
  • ১৯৭৭ আনন্দ আশ্রম:
  • ১৯৭৯ মাদার
  • ১৯৮১ কলঙ্কিনী কঙ্কাবতী:
  • ১৯৮৩ তনয়া, প্রতিদান:
  • ১৯৮৭ অনুরোধ;
  • ২০০২ শুভ মহরৎ,
  • ২০০৩ আবার অরণ্যে
  • ২০০৯ অন্তহীন।

Leave a Comment