লৌহকপাট চলচ্চিত্র এল. বি. ফিল্মস্ ইন্টারন্যাশনাল প্রযোজিত, তপন সিংহার চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত একটি চলচ্চিত্র।

লৌহকপাট চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র
- প্রযোজনা – এল. বি. ফিল্মস্ ইন্টারন্যাশনাল।
- কাহিনি – জরাসন্ধ।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা— তপন সিংহ।
- সংগীত পরিচালনা – পঞ্চজকুমার মল্লিক।
- চিত্রগ্রহণ – বিমল মুখোপাধ্যায়।
- শিল্প নির্দেশনা – সুনীতি মিত্র।
- সম্পাদনা— সুবোধ রায়।
- শব্দগ্রহণ – অতুল চট্টোপাধ্যায়।
অভিনয় —
নির্মলকুমার, মালা সিনহা, ছবি বিশ্বাস, অমর মল্লিক, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, কমল মিত্র, কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, অনিল চট্টোপাধ্যায়, নৃপতি চট্টোপাধ্যায়, ধীরাজ দাস, শৈলেন মুখোপাধ্যায়, অজন্তা কর, স্টেলা ব্রাউন, মঞ্জু দে।

নেপথ্য সংগীত —
সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, মৃণাল চক্রবর্তী, সুকুমার মিত্র।
কাহিনি—
জেলার মলয়বাবু (নির্মলকুমার) জেলখানায় চাকরির সূত্রে বিভিন্ন কয়েদিদের খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পান। এই অপরাধীদের মধ্যে যেমন স্বল্পমেয়াদি কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামি আছে, তেমনই আছে খুনের আসামিরাও। ডাকাত সর্দার বদর মুন্সী (কমল) শত পীড়নেও তার সহকারীদের নাম ফাঁস করে নি, নিজের কৃতকর্মের জন্য তার কোনো অনুশোচনা নেই, কিন্তু একটি সদ্য বিবাহিতা মেয়ের দুর্ভাগ্যের জন্য দায়ী এক সহকারীকে সে মেরে ফেলতেও কুণ্ঠিত হয় নি।
এই মেয়েটির দুর্ভাগ্যের জন্য বদর মুন্সী নিজেকেই দায়ী করে। খুনী কাসেমকে (কালী) মলয়বাবু খুব কাছ থেকে লক্ষ করেন, কুটি বিবির (মঞ্জু দে) সহযোগিতায় সে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, এবং কুটি বিবির বিশ্বাসঘাতকতায় সে ধরা পড়লেও ফাঁসির আগে সে একবার বিবির দেখা পেতে চায়।
চোর ও পকেটমার রহিম, জেল থেকে বেরোতে চায় না, সে মনে করে একবার দাগি হয়ে গেলে, সমাজে আর তার আশ্রয় হয় না। মলয়বাবু বুঝতে পারেন সত্যিকারের পুনর্বাসন ভিন্ন এই ধরনের ছোটখাটো অপরাধ বন্ধ করা যাবে না।
ব্যক্তিগত জীবনে মলয় পাশের বাড়ির একটি মেয়েকে (মালা) ভালোবাসলেও, সেই ভালোবাসা পরিণতি পায় না, যদিও মেয়েটি তাকে ভালোবেসেছিল।
পুরস্কার—
ছবিটি ১৯৫৮ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতির পুরস্কার (সার্টিফিকেট অফ মেরিট) লাভ করে।
