রবি চট্টোপাধ্যায়

রবি চট্টোপাধ্যায় একজন শিল্প নির্দেশক ।

 

রবি চট্টোপাধ্যায় । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

রবি চট্টোপাধ্যায় 

 

ভাস্কর্য নিয়ে শান্তিনিকেতনে পড়াশোনা করেন। সৌরেন সেনের সহকারী হিসাবে নিউ থিয়েটার্সে যোগ দেন এবং সেখানেই শিল্প নির্দেশনার কাজ শেখেন। নিউ থিয়েটার্স একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র স্টুডিও।১৯৭০ সালের দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রাপ্ত প্রযোজক বীরেন্দ্রনাথ সরকার দ্বারা এই স্টুডিওটি ১৯৩১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তারিখে কলকাতায় স্থাপিত হয়।

স্বাধীন ভাবে প্রথম কাজ রাজেন তরফদার পরিচালিত অন্তরীক্ষ (১৯৫৭) ছবিতে, পরবর্তী কালে রাজেনবাবুর গঙ্গা (১৯৬০), অগ্নিশিখা (১৯৬২), জীবন কাহিনী (১৯৬৪), আকাশ ছোঁয়া (১৯৬৭) ইত্যাদি ছবিতেও শিল্প নির্দেশনার কাজ করেছেন।

 

রবি চট্টোপাধ্যায় । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

ঋত্বিককুমার ঘটকের আটটি পূর্ণ দৈর্ঘ্য ছবির মধ্যে অযান্ত্রিক (১৯৫৮), বাড়ী থেকে পালিয়ে (১৯৫৯), মেঘে ঢাকা তারা কোমল গান্ধার (১৯৬১), সুবর্ণরেখা (১৯৬৫) এবং যুক্তি তকো আর গপ্পো (১৯৭৭) ছবির শিল্প নির্দেশক ছিলেন রবি চট্টোপাধ্যায়। কিছুদিন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্য বিভাগে শিক্ষকতাও করেছেন।

উল্লেখযোগ্য আর যে সব পরিচালকের সাথে কাজ করেছেন তাঁরা হলেন তরুণ মজুমদার, অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়, মঞ্জু দে, পীযূষ গঙ্গোপাধ্যায়, নব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায়, উত্তমকুমার প্রভৃতি।

 

চলচ্চিত্রপঞ্জি –
  • ১৯৫৭ অন্তরীক্ষ,
  • ১৯৫৮ অযান্ত্রিক,
  • ১৯৫৯ বাড়ী থেকে পালিয়ে ,
  • ১৯৬০ মেঘে ঢাকা তারা, গঙ্গা, সুরের পিয়াসী:
  • ১৯৬১ কোমল গান্ধার,
  • ১৯৬২ শাস্তি, অগ্নিশিখা, বেনারসী, কুমারী মন।
  • ১৯৬৪ জীবন কাহিনী, স্বর্গ হতে বিদায়, কিনু গোয়ালার গলি:
  • ১৯৬৫ প্রথম প্রেম, সুবর্ণরেখা:
  • ১৯৬৭ অভিশপ্ত চম্বল, আকাশ ছোঁয়া
  • ১৯৬৮ অদ্বিতীয়া
  • ১৯৭০ প্রথম কদম ফুল:
  • ১৯৭১ প্রতিবাদ
  • ১৯৭২ অনিন্দিতা, নয়া মিছিল, অর্চনা:
  • ১৯৭৩ এক যে ছিল বাঘ, বনপলাশির পদাবলী:
  • ১৯৭৫ সংসার সীমান্তে
  • ১৯৭৭ ভোলা ময়রা, যুক্তি তক্কো আর গপ্পো, তিন পরী ছয় প্রেমিক, অমৃতের স্বাদ
  • ১৯৭৯ পরিচয়, গণদেবতা, নবদিগন্ত;
  • ১৯৮০ অভি, পাকা দেখা
  • ১৯৮২ অমৃতকুত্তের সন্ধানে, মা ভবানী মা আমার মা কল্যাণেশ্বরী, মমতা, মায়ের আশীর্বাদ।
  • ১৯৮৩ বনশ্রী, সুপর্ণা, উৎসর্গ,
  • ১৯৮৪ পারাবত প্রিয়া
  • ১৯৮৫ নীলকণ্ঠ,
  • ১৯৮৭ রাজপুরুষ:
  • ১৯৯০ গরমিল, সহেলী:
  • ১৯৯৪ আমিও মা।

Leave a Comment