বাশের কেল্লা চলচ্চিত্র

বাশের কেল্লা চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্র
- প্রযোজক প্রোডাকসন সিন্ডিকেট।
- কাহিনি ও সংলাপ- মনোজ বসু।
- প্রযোজনা, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা —সুধীর মুখোপাধ্যায়।
- চিত্রগ্রহণ — দেওজীভাই পাধিয়ার।
- শব্দগ্রহণ- ভূপেন ঘোষ।
- শিল্প নির্দেশনা—কার্তিক বসু।
- সংগীত পরিচালনা – সলিল চৌধুরী।
- গীতিকার- বিমলচন্দ্র ঘোষ।
- সম্পাদনা—বৈদ্যনাথ চট্টোপাধ্যায়।
অভিনয় –
অনিতা গুহ, প্রভা দেবী, নিভাননী দেবী, কমলা অধিকারী, অনুপকুমার, দক্ষিণারঞ্জন ঘোষাল, মাঃ অলোক, নারায়ণ চট্টোপাধ্যায়, শীতল বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্য বন্দ্যোপাধ্যায়, জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়, ডেভিড কোহেন, সিদ্ধেশ্বর বসু, লাবণ্য ঘোষ, ষষ্ঠিদাস মুখোপাধ্যায়, অনাথ চট্টোপাধ্যায়, এল. এস. বারবার।

কাহিনি—
বাংলাদেশে নীল বিদ্রোহের পটভূমিকায় এই ছবি মোল্লাহাটি গ্রাম এবং তার মানুষদের কেন্দ্র করে আবর্তিত। গ্রামের যুবক কেশব (অনুপ) ভালোবাসে নির্বিরোধী পণ্ডিত মশায়ের (নারায়ণ) কন্যা দুর্গাকে (অনিতা)। গ্রামের নীলকুঠির বুড়ো ম্যানেজার টুইডি (বারবার) অন্যান্য কুঠিয়ালদের মতো নয়। সে গ্রামের লোকেদের ভালোবাসে, আপদে বিপদে তাদের পাশে দাঁড়ায়।
হঠাৎ টুইডি বদলি হয়ে যায় এবং তার জায়গায় কুঠির দায়িত্ব নিয়ে মোল্লাহাটি গ্রামে আসে। অত্যাচারী অল্প বয়সি কুঠিয়াল লারমোর (কোহেন। লারমোর মোল্লাহাটি গ্রামের কৃষকদের নীলচাষ করতে আদেশ করে। টুইডির দেওয়া বিভিন্ন সাহায্যগুলিকেও লারমোর দাদন হিসাবে গণ্য করে এবং নীল চাষ করে দাদন শোধ করার আদেশ দেয়।
গ্রামের সকলের পিসির (প্রভা) কথায় অনুপ্রাণিত কৃষকেরা কেশবের পরামর্শে নীলচাষ করতে মুখে রাজি হয়। চারা বেরোলে নীলকর সাহেব এবং তার নায়ের পশুপতি বুঝতে পারে কৃষকেরা নীলচাষ না করে জমিতে অন্য চাষ দিয়েছে। গ্রামের কৃষককুলের উপর নীলকরদের অত্যাচার শুরু হয়। গ্রামের বাচ্চা ছেলে বাসু (অলোক) লারমোরের হাতে মারা যায়। গ্রামের মানুষেরা কেশব ও দুর্গার নেতৃত্বে একত্রিত হয় এবং তাদের সমবেত আক্রমণে গ্রাম থেকে নীলকুঠি উঠে যায়। নীল চাষও বন্ধ হয়। ছবিটি তৎকালীন সময়ে সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে।
প্রকাশনা—
চিত্রভাষ ২৮ বর্ষ ৩য় ও ৪র্থ সংখ্যায় (জুলাই ১৯৯৩-জুন ১৯৯৪) বাঁশের কেল্লা ছবিটি সম্পর্কে একটি ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়েছিল।
