প্রভাত রায় প্রমোদ চক্রবর্তী পরিচালিত জুগনু (১৯৭৩) ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। পরবর্তী কালে শক্তি সামস্ত পরিচালিত চরিত্রহীন (১৯৭৪), আজনবী (১৯৭৪), অমানুষ (১৯৭৫), মেহেবুবা (১৯৭৬), দি গ্রেট গ্যাম্বলার (১৯৭৯) এবং বরসার কি এক রাত (১৯৮১) ছবিগুলিতেও সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন।

প্রভাত রায় । বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক
অমানুষ ছবিতে সহকারী হিসাবে কাজের পাশাপাশি একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ও করেছিলেন। বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত অভিমন্যু (১৯৯০) ছবিতেও তিনি অভিনয় করেন। শক্তি সামস্ত প্রযোজিত এবং তরুণ মজুমদার পরিচালিত বালিকা বধূ (হিন্দী, ১৯৭৬) ছবিতে তিনি ছিলেন প্রধান সহকারী পরিচালক।

স্বাধীন পরিচালক হিসাবে প্রথম কাজ প্রতিদান (১৯৮৩)। পরবর্তী সময়ে ২০১০ সাল পর্যন্ত প্রায় পঁচিশটি বাংলা ছবি এবং চারটি হিন্দী ছবি পরিচালনা করেছেন। নিজের ছবির চিত্রনাট্য তিনি নিজেই রচনা করেন, এমনকী নিজের পরিচালনায় তৈরি নটি ছবির কাহিনিও তাঁর নিজের।
পরিচালিত ছবিগুলির মধ্যে শ্বেত পাথরের থালা (১৯৯২), লাঠি (১৯৯৬), সেদিন চৈত্র মাস (১৯৯৭) ইত্যাদি ছবিগুলি দর্শক সমাদর লাভ করে। শ্বেত পাথরের থালা ছবিটি ১৯৯২ সালে বছরের সেরা পরিবার কল্যাণমূলক ছবি হিসাবে ভারতের রাষ্ট্রপতির রজত কমল লাভ করে। লাঠি ছবিটিও বছরের শ্রেষ্ঠ পারিবারিক ছবি হিসাবে ১৯৯৬ সালে ভারতের রাষ্ট্রপতির রজত কমল লাভ করেছিল।
চলচ্চিত্রপঞ্জি—
- ১৯৮৩ প্রতিদান,
- ১৯৮৫ বন্ধন, আনজানা (হিন্দী),
- ১৯৮৬ জিন্দেগানী (হিন্দী),
- ১৯৮৭ প্রতিকার,
- ১৯৮৮ প্রতীক;
- ১৯৮৯ আমার শপথ, অগ্নিতৃষ্ণা, হাম ইন্তেজার করেঙ্গে (হিন্দী), প্রণমি তোমায়,
- ১৯৯০ পাপী,
- ১৯৯২ অনুতাপ, শ্বেত পাথরের থালা,
- ১৯৯৩ দুরন্ত প্রেম,
- ১৯৯৪ সন্ধ্যাতারা,
- ১৯৯৬ লাঠি
- ১৯৯৭ যোদ্ধা, সেদিন চৈত্র মাস,
- ১৯৯৯ শুধু একবার বলো, তুমি এলে তাই, খেলাঘর,
- ২০০০ শেষ ঠিকানা:
- ২০০৫ শুভদৃষ্টি, মানিক, এক মুঠো ছবি
- ২০০৬ প্রিয়তমা,
- ২০০৭ পিতৃভূমি,
- ২০১০ হ্যাংওভার,
- ২০১১ ভোরের আলো।
